কেরল: কেরলের (Kerala) ওয়েনাড়ে (Wayanad) মৃত অবস্থায় উদ্ধার মানুষ খেকো বাঘিনী (man-eater tiger) । আজ সোমবার সকালে উদ্ধার হয়েছে দেহ। দেহে ক্ষতচিহ্ন রয়েছে। বেশ কয়েকদিন ধরে বাঘটিকে জীবিত ও মৃত অবস্থায় ধরার জন্য উত্তেজনা ছড়িয়েছিল ওয়েনারে মনন্তবাড়িতে (Manantbari Wenade)।
বাঘের হানায় ৪৭ বছর বয়সি রাধা (Radha) নামের এক মহিলার মৃত্যুর ঘটনায় পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। রাধা কফি বীজ সংগ্রহ করার কাজ করতেন। সেই সময় তার উপর হামলা চালায় বাঘটি। মৃত্যু হয় রাধার। ঘটনায় উত্তপ্ত হয়ে ওঠে মনন্তবাড়ি। পরিস্থিতি বুঝে সরকার কারফিউ (cerfew) জারি করে।
আরও পড়ুন: বাঘের আক্রমণে মহিলার মৃত্যুতে ক্ষোভে ফুঁসছে ওয়েনাড়, জারি কারফিউ
ঘটনার ২৪ ঘণ্টা কাটতে না কাটতেই এদিন পিলাকাভু এস্টেটের কাছে একটি বাড়ির পিছনে বাঘটিকে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়। রবিবার উত্তেজিত মানুষ সরকারের উপর বাঘটিকে গুলি করে মারার জন্য অনুমতি আদায়ের জন্য চাপ তৈরি করে। বাঘটিকে ধরার জন্য বনদফতরের বিশেষ টিম মোতায়েন করা হয়। গোটা অঞ্চল জুড়ে নিবিড় চিরুনি অভিযান।
মুখ্য পশু চিকিৎসক, সার্জেন ডাঃ অরুণ জাকারিয়া জানিয়েছেন, মৃত বাঘিনীর দেহ তিনি পরীক্ষা করেছেন। বয়স সাত বছর। ঘাড়ে গভীর আঘাত ছিল। মৃত্যুর আসল কারণ জানা যাবে ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পর।
প্রধান বন সংরক্ষক (CCF) উত্তর সার্কেল, কে এস দীপা নিশ্চিত করেছেন যে, প্রাথমিকভাবে মনে হচ্ছে এই বাঘটিই রাধার মৃত্যু জন্য দায়ী। বন কর্মকর্তারা ক্যামেরা ভিজ্যুয়ালের মাধ্যমে বাঘের গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করছিলেন এবং সোমবারের আগে এটিকে শান্ত করার চেষ্টা করেছিলেন, কিন্তু প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়েছিল। রাত আড়াইটের দিকে বাঘটিকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।
বন বিভাগ তখন থেকে স্পষ্ট করেছে যে বাসিন্দাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং পরবর্তী ঘটনা রোধ করতে এলাকায় নজরদারি অব্যাহত থাকবে।
দেখুন অন্য খবর: